ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ ক-র্ত-ন, স্ত্রী আটক

Bortoman Protidin

১৪ দিন আগে বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২৬


#

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি :


টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ দা দিয়ে কেটে নিয়ে পালিয়ে যায় স্ত্রী জাকিয়া। এ ঘটনায় রক্তাক্ত অবস্থায় স্বামী ফিরোজকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতালে নিয়ে যায় স্বজনেরা। এদিকে পলাতক স্ত্রীকে আটক করেছে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।   

বুধবার (১৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে উপজেলার রাউৎবাড়ী গ্রামে নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহত ফিরোজ (২৯)  উপজেলার রাউৎবাড়ী গ্রামের মৃত শাহজাহান ছেলে এবং জাকিয়া (২৬) একই উপজেলার জিগাতলা গ্রামের মো. জামিলের মেয়ে। ফিরোজ পেশায় একজন এক্সকেভেটর (বেকু)  চালক।  এ ঘটনায় আহত ফিরোজকে প্রথমে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে এবং পরে টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকে (কলেজ) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করেন। 

এদিকে ঘটনার পর স্ত্রী জাকিয়া পালিয়ে যায়। এছাড়া কর্তনকৃত পুরুষাঙ্গটি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ডাক্তারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে কর্তন হওয়া পুরুষাঙ্গ উদ্ধার করে জোড়া লাগাতে না পারলে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভবনা রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান , প্রায় এক যুগ আগে  ফিরোজ ও জাকিয়া ভালবেসে বিয়ে করেন।

তাদের ঘরে পাঁচ বছরের পুত্র সন্তানও রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই একে অপরকে পরকীয়া প্রেমের সন্দেহে নিয়ে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকতো। এ নিয়ে একাধিক গ্রাম্য শালিস হয়। সম্প্রতি গোবিন্দাসী ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানার মাধ্যমে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। সেখানে শালিসে ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও পরবর্তীতে ৩ লাখ টাকা না দিতে পেরে ফিরোজ স্ত্রীকে আবারও বাড়িতে নিয়ে আসে। 

এদিকে কিছুদিন যাইতে না যাইতে আবারও তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ শুরু হয়। এর ফলশ্রুতিতে বুধবার সকালে স্ত্রী জাকিয়া তার স্বামী ফিরোজের পুরুষাঙ্গ কেটে দ্বিখণ্ডিত করে ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে পালিয়ে যান। পরে পলাতক স্ত্রী জাকিয়াকে  উপজেলার জিগাতলার নিজ গ্রাম থেকে আটক করে পুলিশ।  

প্রতিবেশী আলমগীর বলেন, ঘরের ভিতর গিয়ে দেখি স্বামী ফিরোজের পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেছে। ঘর রক্ত দিয়ে ভেসে গেছে। পরে স্বজনেরা উদ্ধার করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ ঘটনার পর থেকেই স্ত্রী পলাতক রয়েছে। 

ফিরোজের ফুফাতো ভাই রবিন জানায় ,আমি পুকুরের পাড়ে গোসল করতেছিলাম, তখন কেরু কাকার বউ এসে এ দুর্ঘটনার কথা জানায় । পরে আমরা ৪-৫ জন এসে ভাইকে ধরে নিয়ে সিএনজি করে ভূঞাপুর হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্স করে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল নিয়ে যাওয়া হয়। 

ফিরোজের মা ফরিদা বেগম বলেন, সকালে ফিরোজকে ঘুমে দেখে আমি তার ছেলেকে নিয়ে ঘুরতে বের হই। হঠাৎ সাড়ে ৯ টার দিকে ফিরোজের বৌ আমাকে ফোন দিয়ে বলে, তাড়াতাড়ি বাড়িতে যান। আপনার ছেলে যেন কেমন করছে। একথা বলেই সে ফোন কেটে দিয়ে পালিয়ে যায়। আমার ছেলের সাথে যা করেছে তার উপযুক্ত বিচার চাই।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আহসান উল্লাহ বলেন, ঘটনাটি স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

সর্বশেষ

#

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনাসদস্য আহত

#

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

#

আদালতের নির্দেশ— বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিষেধাজ্ঞা

#

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে ‘হত্যার হুমকি’, যুবক আটক

#

ট্রাকচাপায় দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

#

চাঁদপুরে হাঁস বিক্রিতে ওজনে প্রতারণা, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

#

পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

#

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

#

মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রেস সচিব

#

পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাক সেবনে ২ হাজার টাকা জরিমানা কার্যকর

Link copied