রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘জনপ্রিয়তার শীর্ষে’ থাকা কে এই খাইরুল দেওয়ান
১১ ঘন্টা আগে সোমবার, জুলাই ২৭, ২০২৬
রাষ্ট্রপতি
মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরুর পর আবারও আলোচনায়
উঠে এসেছে খাইরুল দেওয়ানের নাম। ফেসবুক ও ইউটিউবে রাষ্ট্রপতি
পদ নিয়ে বিভিন্ন পোস্টের মন্তব্যে অনেক ব্যবহারকারী তাকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেখতে চাওয়ার কথা লিখছেন। এভাবেই নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন তিনি।
খাইরুল
দেওয়ানকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার শুরু ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে। সে সময় রাষ্ট্রপতি
নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। তবে নির্বাচন কমিশন তার কাছে মনোনয়নপত্র বিক্রি না করায় আগারগাঁওয়ে
নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের সামনে আরও কয়েকজনের সঙ্গে মানববন্ধন করেন এবং আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা দেন।
মনোনয়ন
না পেলেও তিনি রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার দাবিতে বিভিন্ন সময়ে সংবাদ সম্মেলন করেন এবং জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ব্যানার নিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। তার এসব কর্মসূচি এবং বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অনেক ব্যবহারকারী বিষয়টিকে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ বা ট্রলের উপাদান
হিসেবে গ্রহণ করেন। একই সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার ওপর হামলার অভিযোগও বিভিন্ন আলোচনায় উঠে আসে।
পরবর্তীতে
খাইরুল দেওয়ান ‘জনকল্যাণ পার্টি’ নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠনের ঘোষণা
দেন। এরপর রাজধানীর পল্টন, তোপখানা রোড, হাইকোর্ট এলাকা ও গুলিস্তানসহ বিভিন্ন
স্থানে নিজেকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে তুলে ধরে বক্তব্য দিতে দেখা যায় তাকে।
রাষ্ট্রপতির
পদ শূন্য না থাকায় চলতি
বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিনি গণমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচন করার আগ্রহের কথাও জানান। তার ধারাবাহিক কর্মকাণ্ডের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তাকে রসিকতার ছলে ‘রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী নেতা’ এবং পরে ‘প্রিয় নেতা’ নামে উল্লেখ করতে শুরু করেন। বর্তমানে রাষ্ট্রপতির পদ নিয়ে আলোচনা
শুরু হলেই বিভিন্ন পোস্টের মন্তব্যে তার নাম উল্লেখ করে রসাত্মক মন্তব্য করতে দেখা যায়।
ভাইরাল
হওয়া এক ভিডিওতে খাইরুল
দেওয়ান জানান, তার পৈতৃক বাড়ি মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলায়। মুক্তিযুদ্ধের পর তাদের বাড়িটি
ধ্বংস হয়ে যায়। তার বাবা সরকারি চাকরিজীবী হওয়ায় শৈশব দেশের বিভিন্ন জেলা ও থানার সরকারি
কোয়ার্টারে কেটেছে। বর্তমানে তিনি ঢাকার কেরানীগঞ্জ দক্ষিণের আব্দুল্লাহপুর কুচিয়ামোড়া এলাকায় বসবাস করেন।