মায়ের বাসায় চালের ড্রামে ৩৪ হাজার ইয়াবা, মা-ছেলে গ্রেপ্তার

Bortoman Protidin

৫১ মিনিট আগে বুধবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৬


#

রাজধানীর ভাটারায় একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে ৩৪ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ ঘটনায় ইয়াবা সংরক্ষণ ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মা মালা বেগম (৬২) ও ছেলে মামুন চোকদারকে (৩৬) গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক অবৈধ বাজারমূল্য এক কোটি দুই লাখ টাকা।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে ভাটারা থানার ছোলমাইদ ঢালিবাড়ী কাঁচাবাজার সংলগ্ন একটি পাঁচতলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। আজ বুধবার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হাসান মারুফের নির্দেশনায় এবং ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ অভিযান পরিচালিত হয়। পরিদর্শক মো. ফজলুল হক খানের নেতৃত্বে অধিদপ্তরের সদস্যরা এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের দুই সদস্য অভিযানে অংশ নেন।

অভিযানকালে নিরপেক্ষ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ফ্ল্যাটটি তল্লাশি করা হয়। এ সময় পশ্চিম পাশের কক্ষে রাখা চালের ড্রামের ভেতর থেকে একটি কফি রঙের কাপড়ের ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। ব্যাগের ভেতরে কাগজ ও স্কচটেপে মোড়ানো ১৭টি প্যাকেটে এসব ইয়াবা পাওয়া যায়। উদ্ধার করা ইয়াবার মোট ওজন ৩ দশমিক ৪০ কেজি।

ঘটনাস্থল থেকে মালা বেগম ও তার ছেলে মামুন চোকদারকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় সাহিদা বেগম ইতি (৪৮) নামে আরেক নারীকে আসামি করা হলেও তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকায় তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, গ্রেফতার দুজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা ইয়াবার প্রকৃত মালিক সাহিদা বেগম ইতি। তিনি কক্সবাজার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে মালা বেগমের বাসায় মজুত রাখতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে গাজীপুরের কোনাবাড়ী, সাইনবোর্ড ও টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব ইয়াবা সরবরাহ করা হতো বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় গ্রেফতার দুজন ও পলাতক আসামির বিরুদ্ধে ভাটারা থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক নির্মূলে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চালানো হবে।

global fast coder
ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

সর্বশেষ

Link copied