বৃষ্টি খাতুনের মরদেহ অবশেষে হস্তান্তর

Bortoman Protidin

১০ দিন আগে রবিবার, ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২৬


#

অবশেষে রাজধানীর বেইলি রোডের আগুনের ঘটনায় নিহত বৃষ্টি খাতুনের (অভিশ্রুতি শাস্ত্রী) মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনার ১১ দিন পর সোমবার (১১ মার্চ) বিকালে বৃষ্টির বাবা সবুজ শেখ মেয়ের মরদেহ বুঝে নেন। ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের মাধ্যমে হিন্দু-মুসলিম পরিচয়ের বিতর্ক নিরসনের পর অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) বৃষ্টির মরদেহ হস্তান্তর করে।

মরদেহ গ্রহণ করে বৃষ্টির বাবা সবুজ শেখ আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে সাংবাদিকদের বলেন, ‘সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমিই তার বাবা। আল্লাহর কাছে লাখো কোটি শুকরিয়া।’

তিনি বলেন, ‘মৃতদেহ পেয়েছি। তাকে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাবো। সেখানেই ইসলাম ধর্মমতে জানাজা দিয়ে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার বনগ্রাম পরিবারিক কবরস্থানে মরদেহ দাফন করা হবে।’

হিন্দু মুসলিম নিয়ে যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছিল, সে বিষয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে মৃতের বাবা আরও বলেন, ‘হিন্দুদের অনুষ্ঠানে গেলেই কি মানুষ হিন্দু হয়ে যায়? অনেকেই হিন্দুদের অনুষ্ঠানে যান। তাই বলেকেই হিন্দু হয়ে গেছেন?’

ঢাকা মেট্রো সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর সাংবাদিকদের বলেন, ‘আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ডিএনএ প্রোফাইলের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত হয় রবিবার। সোমবার আড়াইটার দিকে মরদেহটি তার বাবার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অভিশ্রুতি শাস্ত্রী নামে বিভিন্ন স্থানে চাকরি করেছেন মেয়েটি। তাই তারা দাবি করতেই পারেন। পরে তারা বুঝতে পেরেছেন এবং মরদেহটি তারা বাবা-মায়ের কাছেই হস্তান্তর করার জন্য থানায় লিখিত দিয়েছেন। সে সময় রমনা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।’

বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে বিকাল ৩টার দিকে বৃষ্টির বাবা অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ নিয়ে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন।

গত ২৯ ফেব্রুয়ারি বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বৃষ্টিসহ ৪৬ জন মারা যান। বৃষ্টি তার বন্ধু ও সহকর্মীদের কাছে অভিশ্রুতি নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি মূলত মুসলিম পরিবারের সন্তান। কিন্তু অভিশ্রুতি নামে নিজেকে পরিচয় দেওয়ার কারণে তার লাশ হস্তান্তর নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। মৃত্যুর পর রমনা মন্দিরের পুরোহিত বৃষ্টিকে সনাতন ধর্মাবলম্বী এবং সবুজ শেখ ও বিউটি খাতুন নিজের সন্তান বলে দাবি করেন। এরপর মরদেহ শনাক্ত করতে নেওয়া হয় ডিএনএ নমুনা। নমুনা নেওয়ার ১১ দিন পর বৃষ্টির ডিএনএ’র সঙ্গে তার বাবা-মায়ের ডিএনএ মিলেছে।

বৃষ্টির গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার বেতবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বনগ্রাম গ্রামের প‌শ্চিমপাড়ায়। কলেজের সার্টিফিকেট, জন্মনিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্রে তার নাম বৃষ্টি খাতুন।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  
#

৮ মার্চ নারীদের দিয়ে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করবে বিমান

#

দেশে পৌঁছেছে ৩ লাখ ২৬ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

#

তারেক রহমান ভোটার হবেন ২৭ ডিসেম্বর: সালাহউদ্দিন আহমদ

#

সুদান থেকে দেশে ফিরল ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর নিথর দেহ

#

গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করল বাংলাদেশ

#

বিশেষ নজরদারিতে ঈদে মহাসড়কে থাকবে পুলিশ : আইজিপি

#

খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও মোনাজাতে বিএনপি মহাসচিব

#

শহীদ মিনার আমাদের প্রতিরোধ ও বিজয়ের প্রতীক : তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ

#

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

#

বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তারেক রহমান

সর্বশেষ

#

তারেক রহমান, শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ

#

ভোট-পরবর্তী শান্তি রক্ষায় আহ্বান কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষণ প্রধানের

#

শুরু হলো তারেক রহমানের সংবাদ সম্মেলন

#

১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই সবার শপথ: প্রেসসচিব

#

দেশের মানুষ আর পুরনো ব্যবস্থায় ফিরতে চান না: আলী রীয়াজ

#

তারেক রহমানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বার্তা

#

নির্বাচনের ফল ‘শান্তভাবে গ্রহণ করায়’ জামায়াত আমিরকে প্রধান উপদেষ্টার ধন্যবাদ

#

পাহাড়-হ্রদের জলছবিতে সিসিএন শিক্ষা পরিবারের মিলনমেলা: এক অবিস্মরণীয় আনন্দভ্রমণ

#

নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন প্রধান উপদেষ্টা

#

বিজয় দান করলে উচ্ছ্বাস নয়, সবাই সিজদায় পড়ব : জামায়াত আমির

Link copied