এক নির্ভীক প্রহরীর গল্প : জিয়াউল চৌধুরী টিপুর অবিরাম প্রহরা

Bortoman Protidin

৭ দিন আগে মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৩, ২০২৬


#

কুমিল্লার অলিগলিতে যখন সকালের প্রথম আলো ফুটে উঠে, তখন থেকেই দেখা যায় এক পরিচিত মুখ। তিনি হলেন ট্রাফিক ইন্সপেক্টর জিয়াউল চৌধুরী টিপু। প্রতিদিন সকাল আটটা নাগাদ তাঁর উপস্থিতি নগরীর চারপাশে এক নিরাপত্তার বলয় সৃষ্টি করে। পুলিশের ইউনিফর্মে সজ্জিত এই মানুষটি কখনো দাঁড়িয়ে, কখনো ঘুরে ঘুরে নগরীর প্রতিটি কোণা পর্যবেক্ষণ করেন। তাঁর দৃষ্টি সর্বদা সজাগ, নগরীর প্রতিটি চলাচল তাঁর নজরে।

তাঁর কর্মদক্ষতা ও নিষ্ঠা নগরবাসীর কাছে এক আদর্শের প্রতীক। মিশুক চালক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ, সকলেই তাঁর ভালো মনের কথা বলে। তিনি শুধু যানজট নিরসনেই নয়, মাদক, সন্ত্রাস এবং কিশোর গ্যাং নির্মূলেও অবদান রেখেছেন। তাঁর এই কর্মকাণ্ডে তিনি পেয়েছেন ব্যাপক প্রশংসা।

নগরীতে প্রায়ই রাজনৈতিক মানববন্ধন, বিক্ষোভ হয়ে থাকে। এসব ঘটনায় তিনি সদা সজাগ থেকে পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রাখার চেষ্টা করেন। তাঁর এই দায়িত্ববোধ ও কর্মদক্ষতা নগরীর মানুষের কাছে এক আস্থার প্রতীক।

ক্ষমতা থাকলে অনেকেই তার অপব্যবহার করে থাকেন, কিন্তু জিয়াউল চৌধুরী টিপু তাঁর কর্মের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে ক্ষমতা মানেই অপব্যবহার নয়, বরং সেটি হতে পারে জনসেবার এক অনন্য উপায়। তাঁর এই বিশেষ গুণের কথা সকল শ্রেণী ও পেশার মানুষ জানে এবং সম্মান করে।

ট্রাফিক ইন্সপেক্টর জিয়াউল চৌধুরী টিপু নিজেও বলেন, তিনি কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান মহোদয়ের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখা হাসিনার বক্তব্যের আলোকে তাঁর দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, পুলিশ ও জনগণের মধ্যে বন্ধুত্ব এবং সম্পর্ক গড়ে তোলার মূল ভিত্তি হলো পেশাদারিত্ব, সততা, নিষ্ঠা, দক্ষতা, নিরপেক্ষতা, ত্যাগ, বীরত্ব এবং দেশপ্রেম। এই মানবীয় গুণগুলো ধারণ করেই তিনি চান বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীকে আরও উন্নত করতে।

পবিত্র রমজানের সন্ধ্যায়, যখন সবাই ইফতারে ব্যস্ত, তখনও টিপু সাহেব রাস্তায় দাঁড়িয়ে পানি খেয়ে রোজা ভাঙেন এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানোর কাজে নেমে পড়েন। তাঁর এই ত্যাগ ও নিষ্ঠা নগরীর মানুষের কাছে এক অনুপ্রেরণা। সাধারণ মানুষ ও ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের স্বস্তি দেওয়ার জন্য