আমি দোষ করেছি আমার একটা ছাওয়াল আছে আমাকে ক্ষমা করে দেন স্যার : আদালতে রামিসা হত্যার প্রধান আসামি সোহেল রানা

Bortoman Protidin

২১ দিন আগে বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২৬


#

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধষর্ণের পর গলাকেটে হত্যা মামলার আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন স্বপ্না আক্তার। তবে বিচারকের প্রশ্নের জবাবে সোহেল রানা বলেছেন, আমাকে মাফ করে দেন।

বুধবার (৩ জুন) ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পড়ে শোনান। তখন তারা ন্যায় বিচার চেয়ে প্রার্থনা করেন।

এদিন, কারাগার থেকে দুই আসামিকে আদালতে উপস্থিত করা হয়। এরপর সকাল ১১ টা ১০ মিনিটে বিচারক এজলাসে উঠেন। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় বিচারক তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ ও ১৬ জনের সাক্ষ্য তাদের পড়ে শুনানো হয়।

এসময় বিচারক তাদের প্রশ্ন করেন- আপনারা দোষী না নির্দোষ। উত্তরে স্বপ্না নিজেদের নির্দোষ দাবি করে বলেন, আমি কিছু করি নাই, আমি নির্দোষ।

তবে সোহেল রানা বলেন, স্যার আমি নির্দোষ। খালাস চাই। আমাকে মাফ করে দেন। আমার সাথে ডলার ছিল। সেটা কেউ দেখে নাই। তাকে ধরেন, স্যার (বিচারক)। সেও তো দোষী। এরপর আদালত যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার দিন নির্ধারণ করেন।

গত ১ জুন পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় বাদী আবদুল হান্নান মোল্লাসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। পরদিন ১৬ জনের সাক্ষ্য নিয়ে করে সাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল।

গত ২৪ মো আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান। এরপর চার্জশিটটি আমলে গ্রহণ করে বিচারের জন্য ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। একইদিন ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন অভিযোগ পত্র আমলে নিয়ে নিয়ে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ১ জুন দিন ধার্য করেন।

মামলার অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশু রামিসা আক্তার পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে তার ফ্ল্যাটের রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকলে একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে তার জুতা দেখতে পান।

ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসা আক্তারের মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান। আসামি স্বপ্না আক্তারকে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, তার স্বামী আসামি মো. সোহেল রানা (৩০) হীন কামনা চরিতার্থ করার জন্য রামিসাকে বাথরুমের ভেতরে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে গলা কেটে হত্যা করেছে।

এ ঘটনায় ১৯ মে শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা দুইজনকে আসামি করে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার দায়েরের প্রথমে স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ২০ মে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। একইদিন আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানো হয়।

global fast coder
ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  
#

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

#

ডিএনএ টেস্টে বেরিয়ে এলো সত্য, ধর্ষণ মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল ইমামকে

#

বিদ্যুৎমন্ত্রী বিদ্যুতের পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে ICU-তে চলে গেছেন মাশাআল্লাহ : কুমিল্লায় আসিফ মাহমুদ

#

বর্ষসেরা নারী ওয়ানডে একাদশে বাংলাদেশের নাহিদা

#

সিগন্যাল দিতেই গাড়ি ফেলে পালাল চালক, প্রাইভেটকারে মিলল ৫ বস্তা গাঁজা

#

হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের ওপর গাছ ভেঙে পড়ে নারী নিহত

#

প্রবাসী শ্রমিকদের ভোগান্তি নিরসনে কাজ করছি : আইন উপদেষ্টা

#

ঈদের পর তাপমাত্রা বাড়তে পারে

#

মামলা নিষ্পত্তির জটিলতা সমাধানে কাজ চলছে : প্রধান বিচারপতি

#

শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় প্রিয় প্রাঙ্গণ সুপ্রিম কোর্ট থেকে উপদেষ্টা হাসান আরিফকে শেষ বিদায়

সর্বশেষ

Link copied