‘শহরের রোগ’ এখন ছড়িয়ে পড়েছে গ্রামেও

Bartoman Protidin

২৭ দিন আগে বৃহস্পতিবার, জুন ১৩, ২০২৪


#

উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) একটি দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্যগত সমস্যা; যা অসংখ্য মানুষের অকালমৃত্যু ঘটায়। 

একটা সময়ে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ আর স্ট্রোককে ‘বড়লোকের রোগ’ বলে মনে করতেন অনেকে। তবে বর্তমানে সমাজের সব স্তরে ছড়িয়ে পড়ছে এ রোগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চ রক্তচাপের নীরব মহামারির মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ। এ অবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি সচেতনতা, খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ এবং নানা শারীরিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের পরামর্শ তাদের।

বাংলাদেশ এনসিডি স্টেপস সার্ভে- ২০১৮ অনুযায়ী, দেশে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে জনগোষ্ঠীর মধ্যে ২১ শতাংশ (নারী ২৪.১%, পুরুষ ১৭.৯%) উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত। এদের মধ্যে ওষুধ গ্রহণের মাধ্যমে রোগটি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে মাত্র ১৪ শতাংশ অর্থাৎ প্রতি ৭ জনে একজনেরও কম।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক অ্যান্ড হেলথ সার্ভে ২০১৭-১৮ অনুযায়ী, ২০১১ থেকে ২০১৭-১৮ সাল সময়ের মধ্যে, ৩৫ বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের প্রকোপ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এই সময়ে পুরুষের মধ্যে এ রোগে আক্রান্তের হার ২০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৪ শতাংশে এবং নারীর ক্ষেত্রে এই হার ৩২ শতাংশ থেকে ৪৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা রয়েছে এমন নারী এবং পুরুষের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার হার যথাক্রমে ৪৯ শতাংশ এবং ৪২ শতাশ, যেখানে স্বাভাবিক ওজনের নারী এবং পুরুষের মধ্যে এই হার যথাক্রমে ২৫ শতাংশ এবং ২৪ শতাংশ।

উচ্চ রক্তচাপ কী? কিভাবে বুঝবেন আপনি উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিতে?
প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক, ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, উচ্চ রক্তচাপ হলো একটি নীরব ঘাতক রোগ। গতানুগতিক কিছু কারণ ছাড়াও উচ্চ রক্তচাপের বেশ কিছু কারণ রয়েছে। উত্তেজনা, দুশ্চিন্তা, অধিক পরিশ্রম, কম ঘুম ও অতিরিক্ত ব্যয়ামের ফলে রক্তচাপ বাড়তে পারে। ঘুম ভালো হলে এবং বিশ্রাম নিলে রক্তচাপ কমে যায়। রক্তচাপের এই পরিবর্তন স্বাভাবিক। যদি কারও রক্তচাপ স্বাভাবিক মাত্রার চাইতে বেশি হয় এবং অধিকাংশ সময় এমনকি বিশ্রামকালীনও বেশি থাকে, তবে ধরে নিতে হবে তিনি উচ্চ রক্তচাপের রোগী।

এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, একবার কারও উচ্চ রক্তচাপ বেড়ে গেলে তা একেবারে সারে না, তবে একে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এর জন্য নিয়মিত কিছু ওষুধপত্র খেতে হবে। এক্ষেত্রে এমন অসংখ্য রোগী আমরা পাই, যারা কিছুদিন ওষুধ খাওয়ার পর রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এলে পরে ওষুধ বন্ধ করে দেন। তারা মনে করেন, তাদের রক্তচাপ ভালো হয়ে গেছে, এখন আর ওষুধ খাওয়ার দরকার কী? এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। কোনোক্রমেই ডাক্তারের নির্দেশ ছাড়া ওষুধ সেবন বন্ধ করা যাবে না।  

global fast coder
ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

সর্বশেষ

#

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় বিদেশমুখীতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন

#

জাতীয় পর্যায়ে খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ কমিউনিটি ক্লিনিক

#

১০ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে চোখ পরীক্ষা করালেন প্রধানমন্ত্রী

#

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

#

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

#

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

#

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসা বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

#

তাপদাহের কারণে আগামীকাল ৫ জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ, খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

#

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

#

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

Link copied