ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে ৪জন কে মৃ-ত্যু’দণ্ড এবং ১জনকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন আদালত

Bortoman Protidin

২ দিন আগে বুধবার, মে ২৭, ২০২৬


#

কুমিল্লার বরুড়ায় জায়গা সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরে ফার্নিচার ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে ৪জন কে মৃত্যুদণ্ড এবং ১জন কে যাবজ্জীবন মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ দুপুরে এ রায় দেন কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক রোজিনা খান ।এদিকে ছেলে মো. আবু নাসের বাবার হত্যাকারীদের বিচারের উদ্দেশে আইনজীবী হয়েছেন ২৫ বছর পর তিনি বিচার পেলেন। জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে খুন করা হয় ওই আইনজীবীর বাবাকে। 
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- কুমিল্লা বরুড়া উপজেলার পরানপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে ইউছুফ, বনি আমীন, ইউছুফের ভাতিজা সোলায়মান, ইউছুফের শ্যালক আবদুল হক এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ইউসুফের বড় বোন রজ্জবী বিবি। 

মামলার বিবরণে থেকে জানা যায়- জায়গা সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরে ১৯৯৮ সালের একুশে মে দিনের বেলায় আসামিদের সঙ্গে ওই আইনজীবীর বাবা ফার্নিচার ব্যবসায়ী মো. শহীদ উল্লাহ' কথা-কাটাকাটি হাতাহাতি হয়। ঘটনার জের ধরে ঐদিন দিবাগত-রাত সাড়ে ৮টার দিকে আসামিরা আইনজীবীর বাবাকে পরানপুর বাজারের পশ্চিম পাশে ডেকে নিয়ে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লায় হসপিটালে নেওয়ার পথে পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়। ব্যাপারে নিহতের ছোটভাই বরুড়া বিজরা মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মো. আমান উল্লা বাদী হয়ে ১৯৯৮ সালের ২২ মে একই গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে মোঃ ইউসুফসহ ১৫ জনকে আসামি করে বরুড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ আসামি মো. ইউসুফসহ ১৫জনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ১৯৯৯ সালের এপ্রিল একটি এবং ২০০৪ সালের ৩০ অক্টোবর আরেকটি সম্পূরক অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন। 
রাষ্টপক্ষের কৌশলী আইনজীবী এপিপি মো. নুরুল ইসলাম রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আশা করছি হাইকোর্ট রায় বহাল রেখে দ্রুত রায় বাস্তবায়ন করবেন। 

আসামিপক্ষের এডভোকেট . মমিন ফেরদৌস বলেন, রায়ের কপি হাতে পেলে আসামিপক্ষ উচ্চ আদালতে আপিল করবে। এছাড়াও রাষ্ট্রপক্ষে নিযুক্ত কৌশলীর পাশাপাশি মামলার ব্যক্তিগত আইনজীবী ছিলেন- কুমিল্লা বারের সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. মাসুদ সালাউদ্দিন নিহতের ছেলে অ্যাডভোকেট মো. আবু নাসের। 

মামলায় ১৫ জন আসামির মধ্যে রায় ঘোষণাকালে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত চারজন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত একজন আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বাকিরা মামলার দায় হইতে অব্যাহতি পায়। এর মধ্যে জন আসামি মামলা চলাকালীন সময়ে মৃত্যু হয়। 

নিহতের ছেলে আইনজীবী মো. আবু নাসের বলেন- আমার পিতাকে যখন হত্যা করা হয়, তখন আমি পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ি। আমি আমার মায়ের অনুপ্রেরণায় পিতার খুনিদের বিচার নিশ্চিত করতে আইনজীবী হয়েছি। ২৫ বছর পর হলেও একজন সন্তান হিসেবে আমি আমার পিতা হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে পেরেছি, এটা আমার অনেক বড় পাওয়া।

global fast coder
ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  
#

অন্তর্বর্তী সরকার ১০০ দিনে ৮৬ হাজার ২৭৭ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে

#

পৃথিবীর জন্য আশার বাতিঘর হতে চায় বাংলাদেশ: প্রধান উপদেষ্টা

#

প্রধান উপদেষ্টার কাছে পদোন্নতি বঞ্চিতদের আবেদন পর্যালোচনা কমিটির প্রতিবেদন

#

কেএনএফ পাহাড়ে শান্তি রক্ষায় বড় বাধা

#

প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে ২০ হাজার ডলার দিলো চীন

#

শহীদ মিনারে প্রধান উপদেষ্টার পুষ্পস্তবক অর্পণ

#

স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

#

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহতদের পুনর্বাসন অধ্যাদেশ চূড়ান্ত অনুমোদন

#

উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশের নারীরা: প্রধান উপদেষ্টা

#

সাইবার আইনের সমালোচিত ধারাগুলো পুনর্বিবেচনা করা হবে : নাহিদ ইসলাম

সর্বশেষ

#

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

#

দেশে অরাজকতা সৃষ্টির পায়তারা চলছে, দেশবাসীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

#

ময়মনসিংহে ধরার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

#

আনসার ‘প্রযুক্তিনির্ভর মানবিক সামাজিক বাহিনী’ হয়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী

#

শিশুদের সঙ্গে প্রাণোচ্ছ্বল সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী

#

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদের নেতাদের বৈঠক

#

সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজায় প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ

#

আমাদের লক্ষ্য আর উদ্দেশ্য একটাই, দেশ পুনর্গঠন: প্রধানমন্ত্রী

#

কুমিল্লা নামে বিভাগ হবে : প্রধানমন্ত্রী

#

কুমিল্লা বিভাগ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে দ্রুততম সময়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে: কুমিল্লায় প্রধানমন্ত্রী

Link copied